LalmohanNews24.Com | logo

৮ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ২২শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

স্থপতি একেএম কামরুজ্জামান লিটনের নিপুন হাতের তৈরি দক্ষিণ এশিয়ার সুউচ্চ জ্যাকব টাওয়ার

স্থপতি একেএম কামরুজ্জামান লিটনের নিপুন হাতের তৈরি দক্ষিণ এশিয়ার সুউচ্চ জ্যাকব টাওয়ার

মোঃ জসিম জনি ॥
২৪ জানুয়ারী মহামান্য রাষ্ট্রপতির হাতে উদ্বোধন হতে যাচ্ছে দক্ষিন এশিয়ার সুউচ্চ জ্যাকব টাওয়ার। ২২৫ মিটার উচ্চতা সম্পন্ন দক্ষিন এশিয়ার এই সুউচ্চ টাওয়ারটি ইতোমধ্যে সারাদেশে ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে বঙ্গাপসাগর কূলে ভোলা জেলার চরফ্যাশন শহরে এ টাওয়ারটি স্থাপিত হয়েছে। পরিবেশ ও বন উপমন্ত্রী আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকবের পরিকল্পনায় নির্মিত এ টাওয়ারটি ইতিমধ্যে পর্যটকদের দৃস্টি আকর্ষন করতে সক্ষম হয়েছে।
তবে যার নিপুন হাতের ছোঁয়ায় গড়ে উঠেছে সুবিশাল এই জ্যাকব টাওয়ার তিনি হলেন লালমোহনের কৃতি সন্তান। স্থপতি একেএম কামরুজ্জামান লিটনের সুদক্ষ ডিজাইনে টাওয়ারটি নির্মিত হয়েছে। লালমোহন পঞ্চায়েত বাড়ির সন্তান একেএম কামরুজ্জামান লিটন।

লালমোহন পৌরভবন, সজীব ওয়াজেদ জয় ডিজিটাল পার্ক, নির্মাণাধিন লালমোহন শিশু পার্কসহ বিভিন্ন এলাকায় তার সুদক্ষ ডিজাইনের ছোঁয়া রয়েছে। অত্যান্ত যত্নের সাথে তিনি চরফ্যাশনের জ্যাকব টাওয়ারের ডিজাইন করেন। তার সাথে নির্মানশৈলী বাস্তবায়ন করেছেন বুয়েটের প্রফেসর প্রকৌশলী একে এম শামিমুজ্জামান বসু। ২০১২ সালের ১২ ফেব্রুয়ারিতে টাওয়ারের নির্মান কাজ শুরু হয়। জিওবি অর্থায়নে চরফ্যাসন পৌরসভার বাস্তবায়নে প্রায় ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে দীর্ঘ ৬ বছর যাবৎ ২শ ৫০ ফুট উচ্চ জ্যাকব টাওয়ারের নির্মান কাজ শেষ হয়। বংলাদেশে যে কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগে বা ভূমিকম্পের সময়ে যা সর্বোচ্চ ৮ মাত্রার ভূমিকম্প সহনীয়। এই টাওয়ার আশপাশ এলাকা নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করা যাবে। ১৯ তলার উপরে দাঁড়িয়ে চারদিকের দৃষ্টিনন্দন প্রকৃতি দৃশ্যাবলী দুরবীক্ষন যন্ত্রের মাধ্যমে ১০০ কি: মি: দুর দুরান্ত পর্যন্ত উপভোগ করা যাবে। সবুজের বুক চিরে সাগরের উত্তাল ঢেউ, কুকরী মুকরী বনের মায়াবী হরিন সহ আজানাকে জানা যাবে। এই টাওয়ারের উপরে দাঁড়ালে পর্যটকদের চোখ জুড়াবে চরফ্যাশনের দক্ষিনে বিশাল ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলসহ বিচ্ছিন্ন দ্বীপ সমূহের নৈস্বর্গশোভিত দিগন্ত রেখা।
২৪ জানুয়ারি মহামান্য রাষ্ট্রপতি উদ্বোধনের পর আনুষ্ঠানিকভাবে জনসাধারনের জন্য টাওয়ারটি উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।
এই টাওয়ারের নির্মান উদ্যোক্তা পরিবেশ ও বন মন্ত্রনালয়ের উপমন্ত্রী আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব এমপি। ৮ মে ২০১৫ সালে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহম্মেদ ওয়াচ টাওয়ার নাম পরিবর্তন করে “জ্যাকব টাওয়ার” নামকরণ করছেন।


টাওয়ারের স্বপ্নদ্রষ্টা পরিবেশ ও বন উপমন্ত্রী আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব এমপি দেশে এই প্রথম বারের মত দক্ষিন পূর্ব এশিয়ার মধ্যে সু-উচ্চ দৃষ্টিনন্দন টাওয়ার নির্মান স্থাপনা প্রসঙ্গে বলেন, পৃথিবীতে কেউ বেঁচে থাকেনা, বেঁচে থাকে তার সৃষ্টি ও কর্মের মাধ্যমে। আমি যেদিন বেঁচে থাকবোনা সেদিন এই “জ্যাকব টাওয়ার” আমার কর্মের স্মৃতি বহন করবে। হয়তো আমি এই কর্মের মাধ্যমে বেঁচে থাকবো অনন্তকাল জুড়ে। এই টাওয়ার দ্বীপ ভোলাবাসীর গর্ব।

Facebook Comments Box


যোগাযোগ

বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়

লালমোহন, ভোলা

মোবাইলঃ 01712740138

মেইলঃ jasimjany@gmail.com

সম্পাদক মন্ডলি

error: সাইটের কোন তথ্য কপি করা নিষেধ!! মোঃ জসিম জনি