LalmohanNews24.Com | logo

২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ৬ই জুন, ২০২০ ইং

সেই ‘নাগিন ড্যান্স’ কেন দিয়েছিলেন, জানালেন মুশফিক

সেই ‘নাগিন ড্যান্স’ কেন দিয়েছিলেন, জানালেন মুশফিক

বাংলাদেশ ক্রিকেটে বিজয় উৎসব উদযাপনে সবচেয়ে জনপ্রিয় শারীরিক ভঙ্গি হচ্ছে – ‘নাগিন ড্যান্স’। জাতীয় দলের বাঁহাতি স্পিনার নাজমুল ইসলাম অপু উইকেট পেলেই দু হাত সাপুড়ের মত করে নেচে ওঠে তা উদযাপন করেন।

তবে নাজমুলের এই ‘নাগিন ড্যান্স’ দিয়ে একবার বিশ্ব মাতিয়েছিলেন জাতীয় দলের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহীম। ২০১৮ সালের নিদাহাস ট্রফিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মুশফিকের ৩৫ বলে ৭২ রানের ইনিংসে ভর করে ২১৩ রান তাড়া করে অবিস্মরণীয় এক জয় পায় বাংলাদেশ।

ম্যাচে জয়ের পর হঠাৎ ‘নাগিন ড্যান্স’ দিতে শুরু করেন মুশফিক। শান্ত, সুবোধ ও লাজুক ধরনের এই ক্রিকেটারের এমন নৃত্য দেখে সবাই অবাক হয়ে যান। মুশফিকের সেই ডান্স রীতিমতো ভাইরাল হয়ে যায়। দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের হৃদয়ে স্থান করে নেয়। এ নিয়ে অবশ্য সমালোচনাও কম হয়নি দেশে-বিদেশে।

শনিবার রাতে নিজের ডাবল সেঞ্চুরির ব্যাটের নিলাম শুরুর লাইভ অনুষ্ঠানে এসে মুশফিক জানালেন, সেদিন কেন তিনি নাজমুল অপুর মতো করে ‘নাগিন ড্যান্স’ দিয়েছিলেন।

মুশফিক বলেন, ‘এটা আসলে আগে থেকে ঠিক করা ছিল না। এটা নতুন কোনো সেলিব্রেশনও ছিল না। অপু ভাই প্রথম শুরু করেন। আমার ইচ্ছা ছিল শ্রীলঙ্কার সঙ্গে যদি আমরা জিততে পারি, তাহলে স্পেশাল কিছু করব। ঐ ম্যাচের উইনিং রানও এসেছিল আমার ব্যাট থেকে। তাই আনন্দের আত্মহারা হয়ে ওই নাগিন ড্যান্স দিয়েছিলাম।’

সেই সুখ স্মৃতি রোমন্থন করে মুশফিক আরও বলেন, ওই জয়টি বিশেষ কিছু ছিল আমাদের জন্য। কারণ শ্রীলঙ্কার মাটিতে আমাদের জয়ের রেকর্ড ছিল না। আমরা সেখানে এর আগে কখনও ২১৩ রান তাড়া করে জিতিনি। তাই সেই জয়টি ছিনিয়ে আনতে পেরে বাঁধ ভাঙা উল্লাসে ফেটে পড়তে চাইছিল মন। আনন্দের মাত্রা খুব বেশি ছিল। খুশিতে ওই ডান্স দিয়ে ফেলি। তারপরে ওটা ফেমাস হয়ে যায়।

তিনি যোগ করেন, বিষয়টা আমার নিজের উল্লাসের বহিঃপ্রকাশ মাত্র। এটা তাৎক্ষণিকভাবে করা। কাউকে হেয় করার জন্য করিনি। শুধুমাত্র সাধারণ একটা উদযাপন হিসাবে দেখা উচিৎ এটা।

Facebook Comments


যোগাযোগ

বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়

লালমোহন, ভোলা

মোবাইলঃ 01712740138

মেইলঃ jasimjany@gmail.com

সম্পাদক মন্ডলি

error: সাইটের কোন তথ্য কপি করা নিষেধ!! মোঃ জসিম জনি