LalmohanNews24.Com | logo

৫ই চৈত্র, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ১৯শে মার্চ, ২০১৯ ইং

লালমোহন ও মনপুরায় সীমানায় মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে দু’গ্রুপের সংর্ঘষ ॥ আহত-২০

মোঃ জসিম জনি মোঃ জসিম জনি

সম্পাদক ও প্রকাশক

প্রকাশিত : জুলাই ০৩, ২০১৮, ১৯:৪৯

লালমোহন ও মনপুরায় সীমানায় মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে দু’গ্রুপের সংর্ঘষ ॥ আহত-২০

ভোলার লালমোহন ও মনুপরা উপজেলার সীমানা বিরোধে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে উভয় গ্রুপের কম পক্ষে ২০ জন আহত হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার চর সৈয়দপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর ১৩ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহতরা যারা চিকিৎসা নেন এরা হচ্ছেন লালমোহনের কামাল মাঝি, শাহে আলম, রফিক মাঝি, রহিম মাঝি, মাহে আলম, ওজিউল্যাহ, অপ্হৃত রফিক, মঞ্জু, ইউনুছ, ওসমান। মনপুরার জামাল ( ২২), নাগর ( ২৯), মহিউদ্দিন ( ৩৫) । এ সময় ঘটনাস্থল থেকে লালমোহনের ৪ জনকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায় মনপুরার বাসিন্দারা। পরে মনপুরার থানার মাধ্যমে তাদেরকে লালমোহনে ফেরত দেওয়া হয়। আহতদের ৭ জনকে মনপুরা হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়। অপরদিকে লালমোহন হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয় ৬ জনকে।
লালমোহন লর্ডহার্ডিঞ্জের ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম মিয়া জানান, লালমোহনের চর সৈয়দপুরের এক হাজার ৮৬ একর ও বঙ্গবন্ধুচরের ৪৭৭ একর জমি ১৯৯৯ সালে নক্সা ও ২০০০ সালে জরিপ শেষে ২০০১ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ৮শ ভূমিহীন পরিবারের মধ্যে বন্ধোবস্ত দেয়া হয়। এদের দলিল, খতিয়ানও দেয়া হয়। ওই চরের ধলিগৌরনগর এলাকার কুন্ডের হাওলা এলাকায় মঙ্গলবার সকালে রফিকের নেতৃত্বে লালমোহনের ২০জন কৃষক ও জেলে মাছ ধরতে যায়। ওই সময় মনপুরার হাজিরহাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহরিয়ার দীপক চৌধুরীর নির্দেশে ৫০ /৬০জন সন্ত্রাসী এসে হামলা চালিয়ে লালমোহনের জেলেদের মারধর করে তাদের মোবাইল ফোন টাকা ও মাছ লুট করে নেয়। এ সময় অপহরন করা হয় রফিক, মঞ্জু, ইউনুছ ও ওসমানকে।
ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম মিয়া দাবি করে ওই চরের ৫৬ একর জমিতে সরকারিভাবে এই প্রথম গোচারণভূমি করা হচ্ছে। একইভাবে কৃষি বিভাগ ২০ একর জমিতে বীজ উৎপাদন ও বর্ধন কেন্দ্র করার প্রস্তাব দিয়েছে। যা বাস্তবায়নের কার্যক্রম চলছে। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে ৪টি আশ্রয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন কাযক্রম চলছে। ওই জমি লালমোহনের বলেও তিনি দাবি করেন।
লালমোহন থানার ওসি মীর খায়রুল কবির বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এ ব্যাপারে কোন মামলা দায়ের করা হয়নি।
লালমোহন উপজেলা নির্বাহি অফিসার হাবিবুল হাসান রুমি বলেন, মনপুরার ইউএনও ও ওসিদের মধ্যে সমঝোতা আলাপ শেষে মামলা না করার শর্তে পুলিশ হেফাজতে লালমোহনের ৪ জেলেকে ফেরত দেয়া হচ্ছে।

Facebook Comments


যোগাযোগ

বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়

লালমোহন, ভোলা

মোবাইলঃ 01712740138

মেইলঃ jasimjany@gmail.com

সম্পাদক মন্ডলি