LalmohanNews24.Com | logo

২রা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

লালমোহনে বৃদ্ধাকে পিটিয়ে আহত

বিজ্ঞাপন

লালমোহনে বৃদ্ধাকে পিটিয়ে আহত

ভোলার লালমোহনে সুপারী পাড়াকে কেন্দ্র করে বিউটি বেগম (৫৫) কে পিটিয়ে আহত করেছে চিহ্নিত মাদকসেবীরা। বিউটি বেগম লালমোহন উপজেলার চরভূতা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড তারাগঞ্জ গ্রামের গাইন বাড়ীর বাসিন্ধা। ঘটনার সূত্রে যানা যায় গত শুক্রবার বিকাল ৫ টার সময় বিউটি বেগম তার টাক রাখা সুপারী বাগানে পাহাড়া দিতে গেলে দেখে মোতাহার গং তার টাক রাখা সুপারী গাছ থেকে পেড়ে নিয়ে যাচ্ছে। বিউটি বেগম তাদেরকে বাধা দিলে মোতাহার গং তাকে ব্যাপক মারধর করে তার গলার চেইন, কানের পাশা, হাতে থাকা মোবাইল ও প্রায় এক হাজার সুপারী নিয়ে চলে যায়। বিউটি বেগমের ডাক চিৎকারে এলাকার লোকজন এসে তার আবস্থা খারাপ দেখে লালমোহন সদর হাসপাতালে নিয়ে এসে ভর্তি করে দেন। বর্তমানে তিনি লালমোহন সদর হাসপাতালে মহিলা ওয়ার্ডে ভর্তি হয়ে আছে। কর্তব্যরত চিকিৎসক আহতের আবস্থা গুরুতর বলে জানান।

হাসপাতালে বিউটি বেগমের সাথে কথা বলে যানা যায়, প্রায় ৩০ বছর পর্যন্ত শামছুদ্দিন মাস্টার থেকে এই সুপারী বাগানাটি আমার স্বামী ও আমি প্রতি বছর টাক রেখে আসছি। শাছুদ্দিন মাস্টারের মৃত্যুর পরে তার ছেলেদের কাছ থেকে এই বাগান আমি টাক রেখে চলেছি। গত বছর হঠাৎ করে মোতাহার গং আমাকে মেরে জোর করে সুপারী পেড়ে নিয়ে যায়। ঐ সময় আমি লালমোহন থানাতে জিআর মামলা করি। যা বর্তমানে জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্টেট কোর্টে বিচারাধীন। ঐ সময় মোতাহার ঐ মামলায় আসামী হয়ে হাজতবাস ও করেছে। এ বছর আবার তারা একই ঘটনা ঘটিয়েছে। এ ব্যাপারে লালমোহন থানায় দরখাস্ত করা হয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে মৃত শামছুদ্দিন মাস্টারের ছেলে মইনুলকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন ঐ বাগান টি প্রায় ১০০ বছর পর্যন্ত আমরা ভোগ দখলে আছি। প্রথমে আমার পীজা মুসলিম গাইন আরএস-এসএ সম্পত্তিন মালিক ছিল। তার মৃত্যুর পর তার ছেলে আমার দাদা মন্তাজ গাইন এ সম্পত্তির মালিক হন। আমার দাদা মন্তাজ গাইন এর মৃত্যুর পর তার ছেলে আমার বাবা মামছুদ্দিন মাস্টার এর মালিক হন। আমার বাবা মামছুদ্দিন মাস্টার এর মৃত্যুর পর আমরা (সামছুদ্দিন মাস্টারের সন্তানেরা) এ সম্পত্তির মালিক হই।

হঠাৎ করে গত বছর এই এলাকার চিহ্নিত ভূমি দস্যু মোতাহার, সিরাজ, মহসিন, নুরে-আলম, লাইজু, বুলবুলি,ফিরোজা সহ অন্যরা জোর করে সুপারী পেড়ে নিয়ে যায়। তখন আমরা আইনের আশ্রয় গ্রহণ করি। যাহা বিচারাধীন। এই বছর উক্ত মোতাহার গং সংঘবদ্ধ হয়ে একই কাজ করে। এ ব্যাপারে আমরা লালমোহন থানায় দরখাস্ত করেছি । কর্তব্যরত এসআই বলেছেন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ ব্যাপারে মোতাহার এর নিকট মোবাইলে রিং করলে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। সে জন্য তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

Facebook Comments Box


যোগাযোগ

বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়

লালমোহন, ভোলা

মোবাইলঃ 01712740138

মেইলঃ jasimjany@gmail.com

সম্পাদক মন্ডলি

error: সাইটের কোন তথ্য কপি করা নিষেধ!! মোঃ জসিম জনি