LalmohanNews24.Com | logo

৩রা আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ১৭ই জুন, ২০১৯ ইং

লালমোহনের ৫ জয়িতার সাফল্যের গল্প

লালমোহনের ৫ জয়িতার সাফল্যের গল্প

আংকুর বেগম, নির্যাতনের বিভীষিকা মুছে ফেলে নব উদ্যমে জীবন শুরু করা এক নারী…

একেকটা জীবনের গল্প যেন একেক রকমের। কখনো কখনো সেই গল্পগুলো হয়ে ওঠে প্রেরণার উপজীব্য। হাজার মননে বিরচিত সেইসব উপাখ্যানে কেবল যন্ত্রণার কালানল। সেই অনলে পুড়তে পুড়তে লেখা হয় হাজারও নাটক। সেইসব জীবনের নাটকে ক্রমশও অভিনয় করতে গিয়ে নীরব দর্শককেও আবেগায়িত হতে হয়। তবে লেখা হলো আরো একটি গল্প।
সেকেলে ধারণায় টিকে থাকা বাংলাদেশের গ্রামগুলোর মধ্যে একটি হলো দ্বীপজেলা ভোলার লালমোহন উপজেলার চরভূতা। বলা হয়ে থাকে উপজেলার মধ্যে অন্যতম ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের সর্ববৃহৎ। আধুনিকতার ছোঁয়া থেকে স্বভাবতই বহুদূর। এই গ্রামেরই এক হতদরিদ্র পরিবারে জন্ম নেয়া একটি শিশু, সেও স্বভাবতই শত লাঞ্চনা নিয়ে বেড়ে ওঠে। আর সমাজ ও ধর্মের দোহাই, সর্বোপরি দায়মুক্তির জন্য হলেও বাল্যবিয়ের মত যন্ত্রণার বলি হতে হলো সেই মেয়েটিকেও। হ্যা। মাত্র ১৩ বছর বয়সের সেই সদ্য বেড়ে ওঠা বালিকা শিশুটিকে যেতে হলো। শ্বশুরঘর নামক আরেক দয়ার আশ্রয়ে। পিতার হতদরিদ্র সংসার থেকে রেহাই মিললেও পতিত হতে হয় আরেক নতুন জাহান্নামে। আসলে বন্দীর মুক্তি মেলেনা কখনো।
বলছিলাম, চরভূতা গ্রামের একজন আংকুর বেগমের গল্প।
গল্পের পটভূমিতে বলা সেই গল্পের নায়িকা আংকুর বেগম। পিতার অভাবের সংসারে লালিত হতে হতে বেড়ে ওঠা আংকুরের বিয়ে হয় লালমোহনের পার্শ্ববর্তী উপজেলা চরফ্যাশন উপজেলার ওসমানগঞ্জ ইউনিয়নের মুখারবান্ধা গ্রামে জনৈক জহিরুল হকের সাথে। নতুন সংসারে মানিয়ে নিতে বেশ বেগ পেতে হলেও একসময় স্বাভাবিক হয়ে ওঠে জীবন। ভালই চলছিল সংসার। এরই মধ্যে সংসারে আসে প্রথম একটি ছেলে সন্তান। বড় আনন্দেই চলছিল জীবন। পিতার সংসারের থেকেও যেন ঢের ভাল।
গল্পটা বেশ দারুণ জমে উঠেছে। একটা সুখী পরিবারের গল্প তো সুখী হওয়ার কথা। হয়েছেও তাই। সংসার বেড়েছে। বাড়তি উপার্জনও দরকার। এই ভেবে আংকুরের স্বামী পাড়ি জমায় বিদেশে। ফিরেও আসে একবার। চলছিলও ভালই। মনে হয় গল্পের হ্যাপি ইন্ডিং হবে। নাহ। একটু বাকী আছে। এর মধ্যে আংকুরের পেটে আসে আরেকটি সন্তান। এও বড় আনন্দের খবর। সেই আনন্দের খবর সঙ্গী করে জহিরুল আবারও পাড়ি জমায় প্রবাসে।
ভালই তো চলার কথা। চলছিলও ভালই। কিন্তু, আমাদের গ্রামীণ সমাজ আর নোংরা হিংসার শিকার হয়নি, এরকম ক’জনই বা আছে? আংকুরের সুখ কিভাবে সহ্য হবে বিধাতার দেয়া চার আঙুলের কপালে? আর মনে হয় জায়গা ধরেনি! অথবা সুখালেখ্যর কালি ফুরিয়ে গিয়েছিল। আংকুরের জা, ভাসুর আর শাশুড়ী যেন খল অভিনেতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হলো। শুরু হলো অশান্তির অশনিবাও। সকল কাজে ভূল ধরে করা হলো নির্যাতন। সেই নির্যাতন আর স্বাভাবিক নির্যাতন নয় যে। দিনের পর দিন বেদম প্রহারে প্রহারে আর অত্যাচারে যেন জীবন বিভীষিকাময় হয়ে উঠেছিল। এতকিছুর পরেও খলনায়কেরা থেমে থাকে না। তারাও মুখিয়ে থাকে শুভশেষ দেখার প্রতীক্ষায়। দূর থেকেই বিভিন্ন রকমের সত্য মিথ্যা আর কানপড়ায় ভারী করে তুলেছিল জহিরুলের কর্ণকুহর। আর যায় কোথায়? দেশে ফিরেই শুরু হলো আরেক দফা নির্যাতন। পরিশেষে সেই নির্যাতন গিয়ে গড়ালো ‘তালাক’ নামের আকাশ কাঁপানিয়া শব্দে। হ্যা। সেই আংকুর তালাকপ্রাপ্তা হয়ে ফিরে এলো বাবার সেই দরিদ্র সংসারে। একদিকে একটি কিশোর ছেলে, অন্য দিকে সদ্য জন্ম নেয়া একটি মেয়ে। সবকিছু মিলিয়ে যেন জীবনকে আর জীবন মনে হচ্ছিল না আংকুরের। জীবন যেন মৃত্যুরই নামান্তর।
এমন দূর্বিপাকে পড়েও হাল ছাড়েনি আংকুর। পথ খুঁজতে শুরু করেছিল সে। সে পথ পেয়ে গেল। উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়, লালমোহন, ভোলা থেকে দর্জি বিজ্ঞান ট্রেড এ প্রশিক্ষণ নেয়া শুরু করলো সে। প্রাপ্ত প্রশিক্ষণকে কাজে লাগিয়ে একটি সেলাই মেশিন কিনে শুরু হলো নতুন জীবন।
সেই আংকুর এখন এলাকার একজন সফল নারী। ছেলেকে এইচএসসি পাশ করিয়ে পাঠিয়েছে বিদেশে। মেয়েকে পাঠিয়েছে বিদ্যালয়ে। নতুন কিছু জানবার অদম্য ইচ্ছা আগ্রহী করে তুলেছে আংকুর বেগমকে। দর্জির কাজের পাশাপাশি উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয় হতে ‘উপজেলা পর্যায়ে মহিলাদের জন্য আয়বর্ধক (্আইজিএ) প্রশিক্ষণ প্রকল্পে ‘ক্রিস্টাল শোপিস ট্রেড’ এ প্রশিক্ষণ গ্রহল করে প্রতি মাসে উপার্জন করছেন ১২০০০/- থেকে ১৫০০০/- টাকা। আবারও গল্প জমেছে একজন সফল নারীর। নির্যাতনের বিভীষিকা মুছে ফেলে নব উদ্যমে জীবন শুরু করা সেই আংকুর এখন অনুকরণীয় একজন। লালমোহন উপজেলার চরভূতা গ্রামের সেই আংকুর বেগম।

রোকেয়া বেগম…. একজন সফল জননী।

রোকেয়া বেগমের জীবনটা বেশ অদ্ভুত ও তাৎপর্যপূর্ণ। আসলে স্বপ্নপূরণে মানুষ কতইনা তৎপর থাকতে চায়। জীবনের ভাঙা স্বরলিপিতে সুখসুর থাকেনা। কোমল কিংবা করুণ সুরও থাকে। কোন সুর কখন বেঁজে ওঠে, কেউ জানতে পায়না। জানতে পারলে হয়তো সেই সুরটাকে থামিয়ে দিতো। কিন্তু মানুষকে সেই ক্ষমতা হয়তো দেয়া হয়না। লালমোহন উপজেলার ভেদুরিয়ার রোকেয়া বেগমের বিয়ে হয়েছিল রিক্সাচালক আবুল কাশেমের সাথে। শুরুুটা ভাল হলেও সন্তান সন্ততি না হওয়ায় অনেক গঞ্চনা সইতে হয়েছিল তাকে। হয়তো তখনই শপথ নিয়েছিলেন, আল্লাহ্ যদি তাকে কোন সন্তান দেয়, তাহলে তাকে মানুষের মত মানুষ করবে। রোকেয়ার সে ডাক হয়তো ইশ্বরের কান পর্যন্ত গিয়েছিল। আর তাই বিয়ের দশ বছর পর তার পেটে আসে সন্তান। এযেন দোযখের আগুনে শান্তির পরশ। কিন্তু, বিধি বরাবরই বাম। সেই আনন্দ ফুরোতে সময় লাগলো না। তার সন্তান যখন সাত মাসের পেটে, কঠিন অসুখে পড়ে জীবন প্রদীপ নিভিয়ে নিলো স্বামী আবুল কাশেম। সেই সাথে জীয়ন্তে মেরে গেল রোকেয়া আর তার পেটে থাকা অনাগত সন্তানকে। জীবনে নেমে এলো অভিশাপ। সেই অন্তিম জীবনে কোল আলো করে এলো এক পুত্র সন্তান। সে আলোও যেন হয়ে গেল অন্ধকারের কারণ। বসে বসে খাওয়ার অপবাদ দিয়ে সেই তিন মাসের পুত্র সন্তানসহ বের করে দেয়া হলো শ্বশুরের সংসার থেকে। পিতার কিংবা ভাইয়ের সংসারেও ঠাই হলোনা এই অভাগিনীর। সবকূল হারিয়ে কেবল আকূল পাথার। সেই শিশুপুত্রকে নিয়েই ভাগ্যের সন্ধানে বেরিয়ে পড়লেন রোকেয়া। ঢাকা শহরে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ শুরু করলেন। কিন্তু ইশ্বরকে দেয়া সেই কথা রাখতে ভুল করেননি এ সাহসিকা জননী। কিছু টাকা জমিয়ে ফিরে এলেন নিজ পিতৃলয়ে। ছেলেকে ভর্তি করালেন স্কুলে। সামান্য জমানো টাকা কতদিন? হাল ছাড়েননি। এখানে সেখানে কাজ করে এমনকি এর দরজায় ওর দরজায় ভিক্ষা করে চালিয়েছেন নিজের ছেলের লেখাপড়া। তার সেই ছেলে এখন অনার্স পড়–য়া। আর কিসের কষ্ট রোকেয়ার? ছেলে তো মানুষ হতে চলেছে। ইশ্বরকে দেয়া সেই কথা তিনি রাখতে পেরেছেন। একজন সফল জননী রোকেয়া।

একজন জান্নাত…. চাকুরী জীবনে সফল নারী।

কখনো কখনো শত পরিবর্তন কিংবা শত জাগরণও কোন কোন মানুষ কিংবা কোন কোন সমাজকে বদলাতে পারেনা। বাংলাদেশের মূল ভূখন্ড থেকে বিচ্ছিন্ন ভোলা জেলার চর ফ্যাশর উপজেলার আসলামপুর ইউনিয়নের অমরপুর গ্রামে জান্নাতুল ফেরদাউস এর জন্ম হয়েছিল এমন একটি সমাজে যে সমাজ পর্দাপ্রথার নামে আবরিত করতে চায় নারীদের। কিন্তু জ্ঞানের পিপাসা যার বক্ষে, সে তো জ্ঞান জলের নেশায় ছুটবেই। সেই অমৃত পানের নেশায় পিতার চোখরাঙানীকে ফাঁকি দিয়ে সেই জান্নাত ছুটেছিল স্কুলে। শত বাঁধা তাকে আটকাতে পারেনি। মনের মাঝে পুষিয়ে রেখেছে স্বপ্ন। একদিন সে লেখাপড়া শিখে বড় মানুষ হবে। চাকুরী করবে, উপার্জন করবে। থাকবেনা কারো মুখাপেক্ষী। সেই দৃঢ় বাসনা লালন করে ছুটে চলেছে জ্ঞানান্বেষণে। শত প্রতিকূলতাকে ডিঙিয়ে একে একে দশটি ধাপ পেরিয়ে সে এএসসি পাশ করলো। কিন্ত এভাবে আর কতদিন। হুট করেই তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ে হয়ে গেল পার্শ্ববর্তী লালমোহন উপজেলার ফরাজগঞ্জের মোহাম্মদ মাসুদ এর সাথে। প্রথম জীবনের সংসারে কেউই আর্থিকভাবে স্বচ্ছল থাকে না। জান্নাতও যেন সেই সংসারে অভাবকে খুজে পায়। কিন্তু অদম্য সাহস যার হৃদয়ে মাঝে, পাঁজরের পরতে পরতে। সে কি থেমে থাকবে? একদিকে সংসারও বড় হতে থাকে। অভাবও যেন বাড়তে থাকে। শত বাঁধা পেরিয়ে যতটুকু শিক্ষাগত যোগ্যতা অর্জণ করেছেন, সেইটুকুকেই কাজে লাগাতে চাইলেন। কিন্তু কোথাও যেন হিসাব মিলছিল না। এই সামান্য প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার মাপকাঠিতে কি আর জীবন চলে? তবুও থেমে থাকেননি এই নারী। শত কষ্টেও শিক্ষার পরিধি বাড়ানোর চেষ্টায় লিপ্ত থেকেছেন। করেছেন চাকুরীর সন্ধান। এক সময় ব্রাকের প্রতিষ্ঠিত স্কুল তার ভাগ্য খুলে দেয়। সেখানে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে চাকুরী জীবন শুরু করেন। সেই সাথে চলে পিছিয়ে পড়া শিক্ষা সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের পাঠদান। আগের মত সংসারে আর অভাব নেই। স্বামী ও মেয়েদের নিয়ে গড়ে তুলেছেন একটি সুখী পরিবার। নিজের মেয়েদের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছেন উচ্চতর শিক্ষার পথ। এভাবেই জান্নাত তার সংসারটিকেই যেন জান্নাত বানিয়ে ফেলেছেন।

গজারিয়া বাজারের রিনা বেগম….

ভোলার লালমোহন উপজেলার গজারিয়া বাজারের রিনা বেগমের চা খায়নি এরকম লোক হয়তো পাওয়া খুব কঠিন। যেমনি চায়ের মান, তেমনি রিনা বেগমও বেশ স্বচ্ছল।
তবে মাঝের শুরুতে গল্পটা এমন ছিল না। চা লালমোহন উপজেলার পঃ চর উমেদ ইউনিয়নের গজারিয়া গ্রামের চা দোকানী জামাল পঞ্চায়েতের সংসার বেশ ভালই ছিল। চা দোকান করে সংসার চালাতো জামাল। তিনটি মেয়ে আর দুইটি জমজ ছেলেকে নিয়ে অভাবে হলেও ভালই ছিল তাদের জীবন যাপন। কিন্তু, এই গল্পটা বেশি দিন শেষ হতে সময় নিলো না। টানা সাত দিনের টাইফয়েড জ্বরে মায়ার সংসার ত্যাগ করলো জামাল পঞ্চায়েত। হায়রে জীবন। কত নিষ্ঠুর। এমন অবস্থায় দুচোখে অন্ধকার ছাড়া আর যেন কিছুই দেখার নাই রিনা বেগমের। পাঁচ পাঁচটি সন্তান নিয়ে দুঃখের সাগরের মাঝখানে পড়তে হলো তাকে। স্বামীর সংসারেও বেশিদিন থাকা হলোনা। স্বামীর রেখে যাওয়া সংসারে অনুকূল পরিবেশ না পেয়ে সন্তানদের নিয়ে ফিরে আসতে হলো বাবার সংসারে। কিন্তু বাবার অবস্থাও তো ভাল ছিলনা। মাঝখানে রিনা বেগম নিজেও অসুস্থ হয়ে পড়েন। ছেলে মেয়েদের যেন বড় আপদ এসে ঘিরে ধরলো। কিন্তু অদম্য সাহস আর হাল টেনে ধরবার ক্ষমতা রিনা বেগমকে কোন বিপদও টলাতে পারেনি। নতুন করে বুকে সাহস নিয়ে স্বামীর রেখে যাওয়া বাসন কোসন আসবাবপত্র নিয়ে নিজেই শুরু করলেন চায়ের দোকান। আর সেই ব্যবসায়ই একে একে নতুন করে ফিরিয়ে দিতে শুরু করলো সব। মেয়েদের পড়াশোনা করাতে থাকলেন। একে একে সব মেয়েকে এইচএসসি পাশ করিয়ে বিয়ে দিয়েছেন। ছেলে দুটিও পড়াশোনায় যথেষ্ঠ ভাল। সবকিছু মিলিয়ে আর্থিকভাবে স্বচ্ছল হয়ে উঠেছেন রিনা বেগম।

একজন নুর নাহার আপা.. …

ছোট বয়স থেকেই নূর নাহার বেগহ একজন সমাজ সচেতন নারী। মানুষের জন্য কাজ করার ইচ্ছা তার মধ্যে আশৈশব। লালমোহন পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের নূর নাহার বেগমের স্বামী বাহারুল ইসলাম বাবলু। তিনিও স্ত্রীর এমন সমাজ সেবা মূলক কার্যক্রমে বাঁধা দেননি কখনও। নিজের পরিবার থেকে শুরু করে পুরো এলাকায় তার কর্মের পরিচিতি ছড়িয়ে পড়ে। মজার ব্যাপার হলো একজন নারী হিসেবে সমাজের মানুষজন তাকে মূল্যায়ন করেনি। কিন্তু তিনি তার কর্মপ্রচেষ্টায় নিজেকে সমাজের একজন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছেন। একটি বেসরকারী সংস্থায় ছোট্ট চাকুরী করার পাশাপাশি নিজের অবস্থান থেকে তিনি কাজ করে চলেছেন সমাজ পরিবর্তনের জন্য। সমাজের উন্নয়ন মূলক কাজে ও সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের মধ্যে সামাজিক পরিবর্তন আনয়ন ও সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ধীরে ধীরে তার গ্রহনযোগ্যতা বাড়তে থাকে। বিভিন্ন ধরণের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার উন্নয়ন কর্মকান্ডের সাথে তিনি সম্পৃক্ত। একটি স্বনামধন্য বেসরকারী সংস্থার সামাজিক ক্ষমতায়র কর্মসূচির পল্লী সমাজের প্রধান হিসেবে তিনি এলাকায় বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ, পারিবারিক নির্যাতন প্রতিরোধে অবদান রেখে চলেছেন নিরন্তর। নিজেকে গড়ে তুলেছেন এলাকার সবার প্রিয় নুর নাহার আপা হিসেবে।

Facebook Comments


যোগাযোগ

বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়

লালমোহন, ভোলা

মোবাইলঃ 01712740138

মেইলঃ jasimjany@gmail.com

সম্পাদক মন্ডলি