LalmohanNews24.Com | logo

২৭শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ১১ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

ভোলায় আতংকের কারণ ঢাকা নারায়নগঞ্জ থেকে আসা অধিবাসীরা

মোঃ জসিম জনি মোঃ জসিম জনি

সম্পাদক ও প্রকাশক

প্রকাশিত : এপ্রিল ২১, ২০২০, ১৯:১৩

ভোলায় আতংকের কারণ ঢাকা নারায়নগঞ্জ থেকে আসা অধিবাসীরা

করোনা ভাইরাসের প্রভাব থেকে দ্বীপ জেলা ভোলা এখনো মুক্ত আছে। প্রশাসনের তৎপরতা ও স্থানীয় অধিবাসীদের সচেতনতাই এ ভাইরাস এখনো হানা দিতে পারেনি। শুরু থেকে প্রবাসীরা আতংকের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। প্রবাসীদের তালিকা করে তাদের বাড়িতে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকতে বাধ্য করা হয়। যারা অমান্য করেছে তাদের জরিমানাও করেছে প্রশাসন। অনেকের বাড়িতে লাল পতাকা টানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তবে প্রবাসীদের হোম কোয়ারেন্টিনের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে তারা এখন মুক্ত আছেন।

প্রবাসীদের কাছ থেকে করোনা ঝুঁকি না হলেও এখন নতুন আতংক ঢাকা ও নরায়নগঞ্জ থেকে আসা বাসিন্ধারা। ভোলার বিভিন্ন ঘাট দিয়ে হাজার হাজার ঢাকা ও নারায়নগঞ্জের বাসিন্ধা ভোলায় ডুকেছেন। এদের চিহ্নিতও করা যায়নি। অল্প কিছু চিহ্নিত করা গেলে তা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাড়ি লক ডাউন করে হোম কোয়ারেন্টিনে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তবুও থেমে নেই ওই দুই জেলার বাসিন্ধাদের ভোলায় আগমন।

এ পর্যন্ত ঢাকা ও নারায়নগঞ্জতেই করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী বেশি পাওয়া গেছে। প্রতিদিনই ট্রলারে করে ভোলার বিভিন্ন ঘাট দিয়ে ঢাকা নারায়নগঞ্জ থেকে লোক আসায় ক্রমেই ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে ভোলা জেলা।

এদিকে করোনা ভাইরাস সন্দেহে গত ২১ দিনে জেলার সাত উপজেলা থেকে ২০৪টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এরমধ্যে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) নতুন করে আরো ২০টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এখন পর্যন্ত নমুনার রিপোর্ট এসেছে ১৬৩টির। যার সবগুলো নেগেটিভ বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সূত্র আরো জানায়, ভোলায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৮৩ জনসহ ৪০৭ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। এছাড়া ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিন শেষ হয়েছে ৫৭০ জনের। জেলায় মোট কোয়ারেন্টিন করা হয় ৯৭৭ জনকে। গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বমোট ২৫ জনের কোয়ারেন্টিন শেষ হয়েছে।
জেলার সাত উপজেলায় হোম কোয়ারেন্টিনে থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে সদর উপজেলায় ৬৫ জন, দৌলতখানে ৯১ জন, বোরহানউদ্দিনে ৩৫ জন, লালমোহনে ৩৮ জন, চরফ্যাশনে ১১৮ জন, তজুমদ্দিনে ৩৭ জন ও মনপুরায় ২২ জন।

এ ব্যাপারে ভোলার সিভিল সার্জন ডা. রতন কুমার ঢালী জানান, করোনা সন্দেহভাজন বিশেষ করে যাদের জ্বর, কাশি, ঠাণ্ডা, গলা ব্যথা রয়েছে এমন ব্যক্তিদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও নমুনা সংগ্রহ করছি। ওইসব নমুনা ঢাকা ও বরিশালে পাঠানো হয়। এখন পর্যন্ত সবগুলো রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। জেলায় করোনার সার্বিক পরিস্থিতি ভালো বলা যায়।

তিনি বলেন, জেলায় পিসিআর মেশিন, ল্যাব, আইসিইইউ বেড ও ভেন্টিলেটর দরকার। জনবলসহ এগুলো পেলে চিকিৎসায় আরো এগিয়ে যাওয়া যাবে। আমাদের এখানে পর্যাপ্ত ওষুধ সরবরাহ রয়েছে।

 

Facebook Comments Box


যোগাযোগ

বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়

লালমোহন, ভোলা

মোবাইলঃ 01712740138

মেইলঃ jasimjany@gmail.com

সম্পাদক মন্ডলি

error: সাইটের কোন তথ্য কপি করা নিষেধ!! মোঃ জসিম জনি