LalmohanNews24.Com | logo

১০ই ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ২৫শে আগস্ট, ২০১৯ ইং

বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে আসছেন মেজর হাফিজ

মোঃ জসিম জনি মোঃ জসিম জনি

সম্পাদক ও প্রকাশক

প্রকাশিত : আগস্ট ১০, ২০১৯, ০৮:৩০

বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে আসছেন মেজর হাফিজ

বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে আসছেন দলের ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন। গতবার কাউন্সিলের আগেই স্থায়ী কমিটিতে অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে আলোচনায় ছিলেন প্রবীণ নেতা শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন ও দলের ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজউদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম। এ দুজনকে এবারের কাউন্সিলে স্থায়ী কমিটিতে আনা হতে পারে বলে দলেরে একটি সূত্র জানায়।

সূত্র জানায়, ১৯ সদস্যের স্থায়ী কমিটিতে পাঁচটি পদে নতুন মুখ আসার সম্ভাবনা রয়েছে। গতবার কাউন্সিলের পর দলের স্থায়ী কমিটি করা হয় তাতে দুটি পদ খালি রাখা হয়। এর মধ্যে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলাম, ব্রি. জে. (অব.) আ স ম হান্নান শাহ ও এমকে আনোয়ার মারা গেছেন। ফলে পাঁচটি পদ শূন্য হয়।

এ বছর জাতীয় কাউন্সিলের প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি। এ লক্ষ্যে শুরু হয়েছে দল পুনর্গঠনের কার্যক্রম। সবকিছু ঠিক থাকলে এ বছরের শেষের দিকেই হবে কাউন্সিল। দলীয় চেয়ারপারসনকে কারাগারে রেখে সম্মেলন করার বিষয়ে নেতাদের একটি বড় অংশের আপত্তি থাকলেও এ বছরের শেষ দিকেই হবে এ কাউন্সিল। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘অবিশ্বাস্য পরাজয়ের’ পর ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয়ের অংশ হিসেবে এই কাউন্সিলকে গুরুত্ব দিচ্ছে রাজপথের এ বিরোধী দল।

এবারের কাউন্সিলে শীর্ষ তিন পদগুলোতে বড় চমকের সম্ভাবনা কম। পরিবর্তন আসছে দলের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে। অসুস্থ নেতাদের বাদ দেয়া হবে, পূরণ করা হবে শূন্যপদগুলো। এক্ষেত্রে নতুন মুখ স্থান পাবে। দলের তরুণ এক বা একাধিক নেতাকেও স্থায়ী কমিটিতে অন্তর্ভূক্ত করা হতে পারে।

এ ছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান, উপদেষ্টা পরিষদ, যুগ্ম মহাসচিব, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সম্পাদকীয় পদগুলোতে বড় রকমের পরিবর্তন আসার আভাস পাওয়া গেছে। এসব পদে পদে আসতে পারে নতুন মুখ। যোগ্য, ত্যাগী, তরুণ ও মেধাবীদের নেতৃত্বে আনা হবে।

গত কাউন্সিলে বিএনপির শীর্ষ দুই পদে রাখা হয় দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের দুই উত্তরসূরি খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান। এবারের কাউন্সিলেও দলটির চেয়ারপারসন ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান পদে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানই থাকছেন এটি নিশ্চিত। খালেদা জিয়া কারাবন্দি থাকায় গঠনতন্ত্র সংশোধন করে তাকে (তারেক রহমান) আরও ক্ষমতা দেয়া হতে পারে।

দলের তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ পদ মহাসচিব পদে পরিবর্তনের সম্ভাবনা খুবই কম। সবকিছু ঠিক থাকলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরই থাকছেন এ পদে। যদিও দলের নেতাদের একটি অংশ তাকে বাদ দিতে চাইছে।

দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে আসবে পরিবর্তন। এ ক্ষেত্রে কমপক্ষে পাঁচজন নতুন মুখ আসতে পারে। বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান, উপদেষ্টা ও যুগ্ম মহাসচিবদের মধ্য থেকে কাউকে কাউকে পদোন্নতি দিয়ে এ পদে আনা হতে পারে।

দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী জাতীয় নির্বাহী কমিটির তিন বছরের মেয়াদ ১৯ মার্চ শেষ হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ে এবার কাউন্সিল করার পরিকল্পনা থাকলেও দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ায় সব পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। পরে তৃণমূলের মতামতের ওপর ভিত্তি করে কাউন্সিল করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। খালেদা জিয়া শিগগিরই মুক্তি পাবেন এমন আশায় ডিসেম্বরে কাউন্সিল করতে চাইছে বিএনপি।

জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আমরা দলের জাতীয় কাউন্সিলের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। এ লক্ষ্যে আমাদের সাংগঠনিক পুনর্গঠনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তবে কাউন্সিলের দিনক্ষণ এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তিনি বলেন, নেতৃত্ব নির্বাচন হবে তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতে। তারা যাকে নেতৃত্বে চাইবেন এর বাইরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তবে যারা যোগ্য এবং বিগত সময়ে আন্দোলন সংগ্রামে অবদান রয়েছে, তারাই গুরুত্বপূর্ণ পদে আসবেন বলে আশা করি।

 

Facebook Comments


যোগাযোগ

বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়

লালমোহন, ভোলা

মোবাইলঃ 01712740138

মেইলঃ jasimjany@gmail.com

সম্পাদক মন্ডলি

error: সাইটের কোন তথ্য কপি করা নিষেধ!! মোঃ জসিম জনি