LalmohanNews24.Com | logo

১১ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং

বগুড়ায় কলেজছাত্রীকে ছুরিকাঘাতের কথা স্বীকার করলেন কাওসার

প্রকাশিত : সেপ্টেম্বর ০৫, ২০১৮, ১৯:৪৬

বগুড়ায় কলেজছাত্রীকে ছুরিকাঘাতের কথা স্বীকার করলেন কাওসার

বগুড়ায় কলেজছাত্রীকে ছুরিকাঘাতের কথা স্বীকার করেছেন কাওসার আলম ওরফে অভি। ছুরিকাঘাতের অভিযোগে গ্রেপ্তার কাওসার পুলিশের কাছে এই স্বীকারোক্তি দিয়ে দাবি করেছেন, মেয়েটির সঙ্গে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তাঁকে ছেড়ে অন্য একজনের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোয় ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি ছুরিকাঘাত করেছেন। ওই ছাত্রীকে নির্যাতনের মামলায় দুই দিনের রিমান্ড শেষে আজ বুধবার কাওসারকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

আহত তরুণী বগুড়ার একটি কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। তিনি স্থানীয় একটি বিউটি পারলারে কাজ শিখছিলেন।

এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সদর পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক শেখ ফরিদ উদ্দিন  বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে কাওসার দাবি করেন, তাঁর সঙ্গে মেয়েটির দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু এর মধ্যে মেয়েটি অন্য আরেকটি ছেলের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে যান। বিষয়টি জানতে পেরে কাওসার মেয়েটির কাছ থেকে জানতে চান। এ নিয়ে গত ৩০ আগস্ট বিকেলে কাওসার মেয়েটির পথ রোধ করেন। ওই মেয়েকে জোর করে করনেশন উচ্চবিদ্যালয়ের পেছনে নিয়ে যান। সেখানে গিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে রেগে গিয়ে কাওসার তাঁকে ছুরিকাঘাত করেন।

মেয়েটির পরিবার ও মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা গেছে, বগুড়া শহর যুবলীগের সভাপতি মাহফুজুল আলম জয়ের ছেলে কাওসার আলম ওই মেয়েকে উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন। গত বৃহস্পতিবার (৩০ আগস্ট) বিকেলে মেয়েটি বাড়ি থেকে রিকশায় করে বাদুড়তলার একটি বিউটি পারলারে যাচ্ছিলেন। পথে করনেশন উচ্চবিদ্যালয়ের সামনে পৌঁছামাত্র কাওসার আলমসহ অজ্ঞাতনামা তিন-চারজন দুটি মোটরসাইকেলে করে এসে তাঁর রিকশার পথরোধ করেন। এ সময় তাঁকে কিল-ঘুষি মেরে ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে জখম করেন তাঁরা। একপর্যায়ে কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই কাওসার ছুরি দিয়ে মেয়েটির ঊরুর নিচে আঘাত করেন। এ সময় মেয়েটি চিৎকার দিয়ে মাটিতে পড়ে যান। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে কাওসার ও তাঁর সঙ্গীরা মেয়েটিকে জীবননাশের হুমকি দিয়ে পালিয়ে যান। আহত অবস্থায় মেয়েটিকে পরে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এখন তিনি বাড়িতে রয়েছেন।

ঘটনার দুদিন পর গত শনিবার সন্ধ্যায় কাওসারের নাম উল্লেখ করে তিন-চারজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে সদর থানায় মামলা করেন মেয়েটির বাবা। ছুরিকাঘাতের ঘটনায় গত রোববার রাতে ছেলে কাওসারকে পুলিশের হাতে তুলে দেন তাঁর মা নাসরিন আলম। পরে ছুরিকাঘাতের মামলায় কাওসারকে গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ। পরের দিন সোমবার আদালতের মাধ্যমে কাওসারকে দুদিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার তাঁর রিমান্ড শেষ হয়েছে।

বগুড়া সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান মিয়া বলেন, কাওসারের রিমান্ড শেষ হয়েছে। রিমান্ড শেষে আজ তাঁকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।


যোগাযোগ

বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়

লালমোহন, ভোলা

মোবাইলঃ 01712740138

মেইলঃ jasimjany@gmail.com

সম্পাদক মন্ডলি