LalmohanNews24.Com | logo

৩রা বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১৭ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

জি কে শামীম জামিন পায় অথচ খালেদা জিয়া পান না

জি কে শামীম জামিন পায় অথচ খালেদা জিয়া পান না

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন কারাবন্দী খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ে যে আবেদন করা হয়েছে সে বিষয়ে ‘কিছু জানেন না’ বলে মন্তব্য করেছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তবে জি কে শামীমের জামিনের বিষয়ে তিনি বলেছেন, ‘যেখানে একজন কুখ্যাত সন্ত্রাসীকে এভাবে জামিন দেয়া হয়েছে। অথচ খালেদা জিয়া জেনুইনলি জামিন পান না। এতে প্রমাণিত হয়, দেশে আইনের শাসন বলে কিছু নেই। এটা এখন একনায়কতান্ত্রিক স্বৈরাচারের দেশে পরিণত হয়েছে।’

রোববার (৮ মার্চ) দুপুরে গাজীপুর জেলা বিএনপির নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটির নেতাদের সঙ্গে নিয়ে শেরে বাংলানগরে জিয়াউর রহমানের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর তিনি এসব কথা বলেন।

খালেদার পরিবারের পক্ষ থেকে জামিনের বিষয়ে ফখরুল বলেছেন, ‘এটা আমি ঠিক বলতে পারব না। এটা পরিবারের পক্ষ থেকে করা হয়েছে, এতে কী আছে আমি জানি না।’ সরকার প্যারোলে মুক্তি দেয়ার বিষয়ে আশ্বস্ত করলে আপনারা আবেদন করবেন কি না?

জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা আগেও বলেছি, এটা তার (খালেদা জিয়া) ব্যক্তিগত এবং পরিবারের বিষয়।’ ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার জি কে শামীমের জামিনের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমরা অনেক দিন থেকে বলে আসছি, এটি একটি অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। রাষ্ট্রের কোনো প্রতিষ্ঠানে এখন জবাবদিহিতার কোনো জায়গায় নেই। এ কারণে একজন কুখ্যাত আসামি যাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল, যার কাছে বেআইনিভাবে কোটি কোটি টাকা পাওয়া গেছে। তাকে জামিন দেয়া হয়েছে, অথচ রাষ্ট্র জানে না। এতে প্রমাণিত হয়েছে এই রাষ্ট্রটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হয়ে গেছে। একইসঙ্গে এটা প্রমাণিত হয়েছে, শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে আটক করে রাখা হয়েছে।

যেখানে একজন কুখ্যাত সন্ত্রাসীকে এভাবে জামিন দেয়া হয়েছে। অথচ খালেদা জিয়া জেনুইনলি জামিন পান না। এতে প্রমাণিত হয়, দেশে আইনের শাসন বলে কিছু নেই। এটা এখন একনায়কতান্ত্রিক স্বৈরাচারের দেশে পরিণত হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রের প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠান এখন ডেমেজ হয়ে গেছে। এর জন্য দায়ী এই সরকার। যেহেতু সরকার জনগণের কোনো প্রতিনিধিত্ব করে না। যেহেতু জনগণ তাদের সঙ্গে নেই। সেজন্য স্বৈরাচারী কায়দায় দেশ চালাতে গিয়ে রাষ্ট্রের সকল প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভেঙে ফেলেছে। রাজনৈতিক স্বার্থে যখন তাদের প্রয়োজন হয়, তখন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অ্যাটর্নি জেনারেল দাঁড়ান। আর তাদের লোকজন, যারা চুরি-ডাকাতি করে, তাদের জামিনে বাধা দেয়ার প্রয়োজন মনে করেন না।’

Facebook Comments Box


যোগাযোগ

বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়

লালমোহন, ভোলা

মোবাইলঃ 01712740138

মেইলঃ jasimjany@gmail.com

সম্পাদক মন্ডলি

error: সাইটের কোন তথ্য কপি করা নিষেধ!! মোঃ জসিম জনি