LalmohanNews24.Com | logo

২৩শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ৮ই মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

এক হতভাগা সৈয়দ আহমদের খবর কেউ নেন না!

এক হতভাগা সৈয়দ আহমদের খবর কেউ নেন না!

মো. সৈয়দ আহমেদ। বয়স ১০৫। ভোলার লালমোহন উপজেলার কালমা ইউনিয়নের চরলক্ষ্মী এলাকার বছির উদ্দিন বাড়ি তার। এতো বছর বয়সেও সৈয়দ আহমদের ভাগ্যে জোটেনি সরকারি কোনো সহযোগিতা। হতদরিদ্র সৈয়দ আহমেদ থাকেন হোগলা পাতার চাউনি দেয়া একটি ঘরে। যার ভেতর নেই চৌকি। মাটিতেই ঘুমাতে হয় তাকে। এই শীতেও চরম দুর্ভোগে তিনি।

নেই কোনো শীতবস্ত্র। এতো অসহায় হওয়ার পরেও স্থানীয় চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যদের নজরে পড়েননি তিনি। তার জন্যই হয়তো ১০৫ বছরেও সৈয়দ আহমদের ভাগ্যে জোটেনি সরকারি সহযোগিতা। তিন ছেলে ও তিন কন্যা সন্তানের জনক তিনি। দিনমজুরের কাজ আর প্রতিবেশীদের সহযোগিতা নিয়ে মেয়েদের বিয়ে দিয়েছেন। ছেলে থাকলেও বিয়ে করে ভিন্ন সংসার পেতেছেন। যে যার মতো ব্যস্ত নিজেদের সংসার নিয়ে। সবকিছুর পরেও ছেলে ইউনূছ ও আব্দুল আলী ইটভাটায় কাজ করে নিজেদের সংসারের খরচ মিটানোর পরে বাবাকে কোনো মতে তিন বেলা খাওয়াচ্ছেন। তবে সরকারিভাবে তাদের বাবা কোনো সহযোগিতা না পাওয়ায় হতাশ তারাও। তাদের প্রশ্ন আর কতো বয়স হলে তার বাবার ভাগ্যে সরকারি সহযোগিতা জুটবে।

সৈয়দ আহমদের ছোট ছেলে মো. ইউনূছ বলেন, বাবা কানে শুনতে পান না। আবার এখন বয়স হয়েছে, তাই বয়সের ভারে চলতেও পারেন না ঠিকমত। আমরা যা রোজগার করি তা দিয়ে নিজেদের পরিবার নিয়ে চলতেই কষ্ট হয়। তবুও চেষ্টা করি বাবাকে অন্তত তিন বেলা খাওয়াতে। তবে অনেক সময় পারি না। বাবা যে ঘরে থাকে তা মানুষ গোয়াল ঘর হিসাবেও ব্যবহার করেন না! যেখানে বৃষ্টি হলেই সব পানি ঘরের ভেতরে পড়ে। তবুও বাঁচার জন্য সেখানেই থাকছেন তিনি। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আমাদের দাবি বাবাকে একটি ঘর ও বয়স্ক ভাতার কার্ড করে দেয়ার।

Facebook Comments


যোগাযোগ

বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়

লালমোহন, ভোলা

মোবাইলঃ 01712740138

মেইলঃ jasimjany@gmail.com

সম্পাদক মন্ডলি

error: সাইটের কোন তথ্য কপি করা নিষেধ!! মোঃ জসিম জনি